ইতিমধ্যেই ১০০-র গণ্ডি পেরিয়েছে পেট্রোল! পেট্রোপণ্যের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে, আজও পথে তৃণমূল

ইতিমধ্যেই ১০০-র গণ্ডি পেরিয়েছে পেট্রোল! পেট্রোপণ্যের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে, আজও পথে তৃণমূল
ইতিমধ্যেই ১০০-র গণ্ডি পেরিয়েছে পেট্রোল! পেট্রোপণ্যের লাগাতার মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে, আজও পথে তৃণমূল / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশব্যাপী বেড়ে চলেছে পেট্রোল, ডিজেলের দাম। লাগামছাড়া পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শনিবারের পর, আজ রবিবারও ফের পথে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হবেন মন্ত্রী ও বিধায়করা।

আজ বাগুইআটিতে নৌকায় বসে রান্না করে বিক্ষোভ করবেন তৃণমূল কর্মীরা। থাকবেন সৌগত রায়, অদিতি মুন্সি। চিনার পার্কে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শনিবারের মতো আজ রবিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পেট্রোপণ্যের মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করবেন শাসকদলের নেতা-কর্মীরা। পাশাপাশি ব্লক স্তরেও চলবে বিক্ষোভ কর্মসূচি। রাজ্যে লাগামছাড়া পেট্রোল, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগেই পথে নামার ডাক দিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল। গতকাল উত্তরবঙ্গেও পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন তৃণমূল কর্মীরা। পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে কোথাও গরুর গাড়িতে, কোথাও সাইকেল চালিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন রাজ্যের শাসকদলের মন্ত্রী এবং বিধায়করা। ইতিমধ্যেই পেট্রোলের দাম ১০০ পেরিয়েছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ডিজেলের দামও। এই পরিস্থিতিতে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৩০ মিনিট পেট্রোল পাম্প বন্ধ থাকবে।

এদিকে ক্রমাগত পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন রাজ্যের শাসকদলের নেতা-নেত্রীরা। রাজ্যব্যাপী চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। আবার করোনা বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ায়, সরকারের পক্ষ থেকে বাস চালানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও, পথে দেখা যাচ্ছে না বেসরকারি বাস। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বাস মালিকরা ভাড়া বাড়ানোর দাবি তুলেছেন। কিন্তু এই মুহূর্তে বাস ভাড়া বাড়ানো যাবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানোও হয়েছে। তার পরেও বেসরকারি বাসের মালিকরা নিজেদের দাবিতে অনড়। তাই পথে বেসরকারি বাসেরও দেখা নেই।

অন্যদিকে, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সম্প্রতি বলেছেন, একবছরে ৩৫ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে করোনার ভ্যাকসিনের জন্য। এই পরিস্থিতিতে কল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য অর্থ সঞ্চয় করা হচ্ছে। আবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি তুলেছেন, ‘পেট্রোল-ডিজেলে নিজেদের অংশের কর কমিয়ে তো সাধারণ মানুষকে সুরাহা দিতে পারে রাজ্য সরকার।’ দিলীপ ঘোষের দাবির পাল্টা জবাব দিয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, পেট্রো পণ্যের উপরে কিয়দংশ করই নেয় কেন্দ্র। তারাই রাজ্যের অংশ ঠিক করে দেয়।