ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়ে ফেরার পথে পাড়ার মন্দিরে সন্ধ্যারতিতে সামিল মমতা! সঙ্গে অভিষেক, পিকে

ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়ে ফেরার পথে পাড়ার মন্দিরে সন্ধ্যারতিতে সামিল মমতা! সঙ্গে অভিষেক, পিকে
ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়ে ফেরার পথে পাড়ার মন্দিরে সন্ধ্যারতিতে সামিল মমতা! সঙ্গে অভিষেক, পিকে

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ চলতি মাসের শেষেই রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচন। এই কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে জোরকদমে চলছে নির্বাচনী প্রচারের কাজ।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার বিকেলে আচমকাই ভবানীপুরে প্রচারে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, এদিন শুধু অভিষেকেই নন, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন মমতার সঙ্গে প্রচারে দেখা গেল ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরকেও। এদিন স্থানীয় মন্দিরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি কথা বলেন এলাকার মানুষদের সঙ্গেও।

সূত্রের খবর, এদিন আচমকাই নবান্ন থেকে প্রশ্ন কিশোর এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ভবানীপুরে পৌঁছান মমতা। সোমবার নবান্ন থেকে বাবুলের বৈঠকে সেরে বেরিয়ে যাওয়ার পরই এই তিনজনের মধ্যে বেশ কিছু সময় ধরে আলোচনা হয়। তবে, কী নিয়ে এই তিনজনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছুই জানা যায়নি। এরপরেই নবান্ন থেকে বেরিয়ে ভবানীপুরের শীতলা মন্দিরে যান তৃণমূলনেত্রী। সেখানেই তাঁর সঙ্গে ছিলেন পিকে এবং অভিষেক। শীতলা মন্দিরে এদিন সন্ধ্যারতি চলাকালীন সেখানে সামিল হন মুখ্যমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এদিন দুপুরে নবান্নে এসেছিলেন সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। মমতা, অভিষেক এবং ডেরেক ও ব্রায়েনের সঙ্গে বৈঠক করেন আসানসোলের সাংসদ। তার পর ডেরেককে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান তিনি। সূত্রের খবর, এরপরই পিকে এবং অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী। এই মুহূর্তে বাংলার পাশাপাশি একাধিক রাজ্যে সংগঠন বাড়াচ্ছে তৃণমূল। সেই দায়িত্ব রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই। এর আগেও সংগঠন বৃদ্ধি নিয়ে পিকের সঙ্গে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে অভিষেককে। এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অভিষেক দু’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে বৈঠক করেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে।

দিল্লিতে দীর্ঘ জেরার পর ইডির অফিস থেকে বেরিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেছিলেন, দেশের যে সমস্ত জায়গায় বিজেপি রয়েছে, সেখানেই তৃণমূল কংগ্রেস যাবে এবং ২০২৪ সালে বিজেপিকে হারাবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি। সেই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই, পিকের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ বৈঠক বাড়িয়েছিল রাজনৈতিক জল্পনা।

তাছাড়া, ইতিমধ্যেই বাংলার গণ্ডি অতিক্রম করে ত্রিপুরা ও অসমের মতো রাজ্যে তৃণমূল শক্তি সঞ্চয় করে জমি শক্ত করতে সচেষ্ট। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় বিপ্লব দেবের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারকে উৎখাত করাই যে তৃণমূলের পাখির চোখ, সেই বার্তাও অনেক আগেই দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বর রাজ্যে রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন। তার আগে বাংলায় আজ ফের পিকের আগমন এবং অভিষেক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।