ত্রিপুরা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুর মুখ্যমন্ত্রীর গলায়! বাংলার পর ত্রিপুরাতেও জিতবে তৃণমূল! দাবি মমতার

ত্রিপুরা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুর মুখ্যমন্ত্রীর গলায়! বাংলার পর ত্রিপুরাতেও জিতবে তৃণমূল! দাবি মমতার
ত্রিপুরা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সুর মুখ্যমন্ত্রীর গলায়! বাংলার পর ত্রিপুরাতেও জিতবে তৃণমূল! দাবি মমতার

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ ত্রিপুরা এখন তৃণমূলের পাখির চোখ। ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিপ্লব দেবের বিজেপিশাসিত সরকারকে হারানোই এখন তৃণমূল কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পড়শি রাজ্যে নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে সর্বশক্তি দিয়ে ময়দানে নেমে পড়েছে ঘাসফুল শিবির।

আর একবার ফের ত্রিপুরায় নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা নিয়ে বড় বাংলার পর ত্রিপুরাতেও জিতবে তৃণমূল। নবান্নে বসেই এমন দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন যে, ত্রিপুরায় তৃণমূলকে আটকাতে রীতিমতো গুন্ডাগিরি চলছে৷ ত্রিপুরায় কোনও আইনশৃঙ্খলা নেই বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তবে, এভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানো যাবে না বলেই দাবি করলেন আত্মবিশ্বাসী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে যতদিন যাচ্ছে, ত্রিপুরায় তৃণমূলের সঙ্গে বিজেপির সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। এমনকি তৃণমূলের নেতারা যে হোটেলে উঠছেন, সেখানেও সমস্যা তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। হোটেল কর্তৃপক্ষের উপরেও পুলিশ, প্রশাসন নানা রকম ভাবে চাপ সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ৷ হোটেলে বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ৷ এমন কি, তৃণমূল নেতাদের ঠিক মতো খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ৷

এদিন ত্রিপুরা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে, মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হোটেলে গিয়েও ডিস্টার্ব করছে৷ এটা বাড়াবাড়ি হচ্ছে৷ ওখানে ডেমোক্র্যাসির ‘ডি’ নেই৷ লোকতন্ত্রের ‘ল’ নেই৷ আইনশৃঙ্খলা বলতেও কিছু নেই৷ ওখানে গুন্ডাগিরি চলছে৷’ এরপরই আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এরকম ভাবে আমাদের আটকানো যাবে না৷ এবার আমরা ত্রিপুরায় জিতব৷ আমরা চাই বাংলার প্রকল্পগুলি ত্রিপুরায় চালু হোক৷ ত্রিপুরার মানুষ বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাক, বিনা পয়সায় চাল পাক৷ আমরা চাই ত্রিপুরার মানুষ ভালো থাকুক৷’

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে, ত্রিপুরার প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং পাঁচ বারের বিধায়ক জিতেন সরকার তাঁর বেশ কিছু অনুগামীকে নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চেয়ে তাঁকে ফোন করেছেন৷’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর। জাতীয় স্তরে নিজেদের সংগঠন আরও মজবুত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। লক্ষ্য ২০২৪- এবিজেপিকে কেন্দ্র থেকে ক্ষমতাচ্যুত করা। আর তার জন্য, বিজেপিশাসিত যেসব রাজ্যগুলিতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে, সেগুলিকে টার্গেট করা হয়েছে। আর এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে ত্রিপুরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের আরও বেশ কয়েকজন নেতা ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসার দাবি করেছেন৷ যদিও বিজেপি বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি৷ কিন্তু এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ত্রিপুরা জয়ের দাবি করলেন৷ ফলে বিষয়টি যে অন্য মাত্রা পেল, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহই নেই৷