‘বাংলাই পারে, এটা বাংলার জয়, আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ’, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দিদির বার্তা

‘বাংলাই পারে, এটা বাংলার জয়, আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ’, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দিদির বার্তা
‘আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ, বাংলাই পারে, এটা বাংলার জয়’, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে দিদির বার্তা

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ এতদিন যে মহারণের দিকে ছিল সকলের নজর, আজ সেই মহারণের ফলাফলের দিন। ইতিমধ্যেই সেই ফলাফল হতে চলেছে তাও স্পষ্ট হয়ে গেছে। আর ফলাফল বলছে, বাংলায় আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাংলায় আবারও মা-মাটি-মানুষের জয়জয়কার। অবশেষে বাংলার মানুষের রায় প্রমাণ করে দিল, হ্যাঁ, ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’। তৃণমূল কংগ্রেস যে স্লোগানকে ব্রহ্মাস্ত্র বানিয়ে, বাংলায় একুশের কুরুক্ষেত্রের লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। সেই স্লোগান আজ সার্থক প্রমাণিত হল। নবান্নে ফের ফুটছে জোড়াফুল। মোদী-শাহের ডেলি প্যাসেঞ্জারি বাস্তবে কোনও কাজেই এল না।

অনেক অভিযোগ, সমালোচনা, দুর্নীতির ভার, দলের ঘনিষ্ঠ কর্মীদের দলত্যাগ, (নেত্রীর কোথায় বিশ্বাসঘাতকতা) সব সয়েও, শেষ জয়ের প্রবাহের গতিমুখ কালীঘাটের দিকেই। বাংলার মসনদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রীরূপে শপথ নেওয়া, এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। মোদীর ‘আসল পরিবরতন’-এর ডাকে সাড়া দিল না বাংলা, ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন সফল করার জন্য ৫ বছরে্র অপেক্ষা। বাংলার মানুষ মমতাতেই ভরসা রাখলেন।

আজ বাংলায় তৃণমূল সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়ার পর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অখিলেশ যাদব, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেনরা। পাশাপাশি শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন রাজনাথ সিং, নির্মলা সীতারমণও। আজ সারদিন ধরে বাড়িতেই ছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পরে দলের জয় নিশ্চিত হতেই, তিনি বাড়ির বাইরে জনসমক্ষে এলেন। আজ তিনি দলের কর্মী-সমর্থক এবং বাংলার মানুষের প্রতি বার্তা দেন, দলের এই কাঙ্খিত জয়ের পর। বাড়ির বাইরে জমায়েত হওয়া বহু সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে নেত্রী বলেন, ‘বাংলাই পারে, বাংলার জয়। আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সকলে ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন, সকলে অনেক খেটেছেন। কোভিডবিধি মেনে চলুন, এখনই বিজয় মিছিল নয়, অনেক মানুষ করোনায় আক্রান্ত। এখন আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার করোনা জন্য কাজ করা।’ তিনি বলেন, ‘বাড়ি ফিরে যান, ভাল করে স্নান করুন। সাবধানে থাকুন, বাকি কথা পরে হবে।’

তিনি আরও জানিয়েছেন যে, একটু পরেই তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন, সেখানেই বিজয় মিছিল প্রসঙ্গে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন।