নাক নিয়ে নাকানিচোবানি! যত বিপত্তি পঞ্চাশ বছর ধরে আটকে থাকা কয়েনের কারণে!

নাক নিয়ে নাকানিচোবানি! যত বিপত্তি পঞ্চাশ বছর ধরে আটকে থাকা কয়েনের কারণে!
নাক নিয়ে নাকানিচোবানি! যত বিপত্তি পঞ্চাশ বছর ধরে আটকে থাকা কয়েনের কারণে!

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ নাকে-কানে কিছু ঢুকিয়ে ফেলে প্রায়ই ছোট শিশুরা। এমন ঘটনা তো আকছার ঘটে। এর জন্য অভিভাবকদেরও কম ভোগান্তি হয় না। তড়িঘড়ি ছুটতে হয় ডাক্তারের কাছে। কিন্তু এমন কখনও শুনেছে যে, কোনও শিশু এমন কাণ্ড করার পর, তা বেমালুম ভুলে যায়! আর সেই কয়েনও ভিতরে থেকেও বিন্দুমাত্র কোনও উৎপাত করে না বছরের পর বছর ধরে। দিব্য লক্ষ্মী হয়ে থেকে যায়!

হ্যাঁ, ঠিক এমনটাই ঘটেছে রাশিয়ার এক ব্যক্তির সঙ্গে। ওই ব্যক্তির বয়স বর্তমানে ৫৯ বছর। ৬ বছর বয়সে তিনি নাকের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলেছিলেন একটি আস্ত কয়েন। তারপর বেমালুম ভুলে যান কয়েনের কথা। এত বছর সেই কয়েন কোনও ঝামেলা না করলেও, শেষরক্ষা হল না। দিন কয়েক ধরেই, ওই ব্যক্তির নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। এরপর চিকিৎসকদের কাছে যেতেই সামনে এল কয়েনের উপস্থিতির কথা। জানা গেল, ৫৩ বছর আগের নাকে ঢুকে যাওয়া সেই কয়েনই এত বছর বাদে বেয়াদপি করছে।

তখনই সামনে উঠে এল ছোটবেলার সেই স্মৃতি। প্রবীণ ব্যক্তিটির মনে পড়ে গেল, ছোটবেলায় কয়েনটি নাকের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলার পরও, মায়ের বকুনির ভয়ে কিছু বলেননি কাউকে তিনি। তারপর একটা সময়ে তিনি নিজেও সবটা ভুলে গিয়েছিলেন। এদিকে সম্প্রতি ডান নাক দিয়ে শ্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছিল তাঁর। হাসপাতালে গিয়ে নাসারন্ধ্রের স্ক্যান করতেই চিকিৎসকদের চোখ কপালে ওঠার অবস্থা। দেখা যায়, আটকে থাকা কয়েনটিকে ঘিরে রীতিমতো তৈরি হয়েছে পাথর।

তবে কথায় আছে না, সব ভাল যার শেষ ভাল। কয়েন নাকে ঢোকানোর এত বছর পর, তা বেয়াদপি শুরু করলেও, এবার কিন্তু পাকাপাকিভাবে নিস্তার মিলল কয়েনের থেকে, চিকিৎসকদের দৌলতে।

এন্ডোস্কপি করে সেই পাথর ও কয়েনটি বের করে আনতে সক্ষম হয়েছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেওয়া হয়েছে ওই ব্যক্তিকে। জানা গিয়েছে, এখন আবার স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারছেন তিনি।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.