প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে তাঁরই পৈতৃক ভিটেতে স্মরণ করলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও পরিজনেরা

প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে তাঁরই পৈতৃক ভিটেতে স্মরণ করলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও পরিজনেরা
প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে তাঁরই পৈতৃক ভিটেতে স্মরণ করলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও পরিজনেরা

নিজস্ব প্রতিনিধি, কালনাঃ রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৯টা ২২ মিনিট নাগাদ কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। খবর পেয়ে, বাড়ির কালীপুজো ছেড়ে হাসপাতালে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতালে যান দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অসংখ্য ভক্তরা। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। একে একে শোকজ্ঞাপন করেছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে বিরোধীরাও।  সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে বাংলার রাজনীতিতে শোকের ছায়া। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু বাড়ি ফেরার আগেই সব শেষ হয়ে গেল আচমকাই। আলোর উৎসবের মধ্যেই সবটা অন্ধকার হয়ে গেল। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন তিনি।

আজ প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের জন্মভূমি কালনা মহকুমার নাদনঘাটের ন-পাড়া গ্রামে, পৈতৃক ভিটের সামনে তাঁকে স্মৃতিতে ধরে রাখতে, স্মরণ করলেন পারিবারিক বন্ধু-বান্ধব, এলাকার মানুষজন, রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ উপস্থিত হয়ে, প্রথমে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক জীবনে প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ করেন।

এই নপাড়া গ্রামে ক্লাস ফোর পর্যন্ত স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে পড়া তাঁরই এক সহপাঠী শামসুল শেখ স্মৃতিচারণায় বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা এক সঙ্গে স্কুলে পড়েছি, তিনি জোড়া মন্ডা খেতে খুব ভালোবাসতেন। আমি যখনই ওনার কাছে যেতাম তখনই উনি আমার কাছে জোড়া মন্ডা খাওয়ার আবদার জানাতেন। বেশ কয়েকবার আমি তাঁকে জোড়া মন্ডা খাইয়েছিলাম, তাঁর মৃত্যুতে বাংলার রাজনীতিতে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ তাঁর জন্মভূমি নাদনঘাটের ন-পাড়া গ্রাম।