এ কী কাণ্ড! ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে মোদির ছবি দেখে বিদেশি বিমানবন্দরে হাসির খোরাক ভারতীয় মহিলা

এ কী কাণ্ড! ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে মোদির ছবি দেখে বিদেশি বিমানবন্দরে হাসির খোরাক ভারতীয় মহিলা
এ কী কাণ্ড! ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে মোদির ছবি দেখে বিদেশি বিমানবন্দরে হাসির খোরাক ভারতীয় মহিলা

করোনা ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ নিলেই পাড়ি দেওয়া যাবে ইউরোপের ১৬টি দেশে। তবে টিকা নিয়েও বিদেশি বিমানবন্দরে চরম বিভ্রাটে পড়লেন ভারতীয় মহিলা। ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দেখিয়ে প্রথমে ভুয়ো তথ্য দেওয়ায় অভিযোগ ওঠে ওই মহিলার বিরুদ্ধে। পরে জানাজানি হতেই হাসির খোরাকে পরিণত হলেন ওই মহিলা। বিষয়টি একটু খুলেই বলা যাক!

সম্প্রতি দীপ্তি তামহানে নামক এক যুবতী সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, ওই যুবতীর ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে প্রধানমন্ত্রী মোদির ছবি দেখে রেগে গিয়েছিলেন ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরের লুফথানসার কাস্টমার কেয়ার ডেস্কের এক কর্মী। মহিলাকে কড়া গলায় প্রশ্ন করেন, “আপনার ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে অন্যের ছবি কেন? আপনি কি আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছেন?”

বিষয়টি দেখে প্রথমে বেশ ঘাবড়েই যান যুবতী। ওই কর্মী আরও অভিযোগ তোলেন, “আপনি ভুয়ো সার্টিফিকেট দেখাচ্ছেন, আপনি ফ্রড করছেন।” এরপরই বিষয়টি বুঝতে পারেন ভারতীয় যুবতীটি। তিনি তখন ওই কর্মীকে জানান, সার্টিফিকেটে থাকা ওই ব্যক্তি আসলে তিনি নিজে নন। ওই ছবি আসলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। যা শুনেই এরপর অট্টহাস্যে ফেটে পড়েন ওই কর্মী। মুহূর্তেই হাসির খোরাকে পরিণত হন যুবতীটি।

এ কী কাণ্ড! ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে মোদির ছবি দেখে বিদেশি বিমানবন্দরে হাসির খোরাক ভারতীয় মহিলা
এ কী কাণ্ড! ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে মোদির ছবি দেখে বিদেশি বিমানবন্দরে হাসির খোরাক ভারতীয় মহিলা

সোশ্যাল মিডিয়ায় এ বিষয়ে যুবতীটি লেখেন, ‘লন্ডনে ফেরার পথে ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে লুফথানসার কাস্টমার কেয়ার ডেস্কে গিয়েছিলাম। কর্মীরা সেখানে অন্যান্য নথির সঙ্গে ভ্যাকসিন সার্টিফিকেটও দেখতে চান। কাউন্টারে থাকা মহিলাকে আমি আমার ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট দেখাই। তিনি সেখানে তারিখ, ছবি সমস্ত মিলিয়ে দেখছিলেন। কিন্তু আমার ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেটে মোদির ছবি ছিল। আমার পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে সে ছবি মিলিয়ে দেখতেই প্রচণ্ড রেগে যান ওই মহিলা কর্মীটি। এরপরই বলেন আমি নাকি ভুয়ো তথ্য দিচ্ছি।

বিষয়টি আন্দাজ করে আমি তখন খোলসা করে তাঁকে জানাই, সার্টিফিকেটের থাকা ছবির ব্যক্তি আসলে আমি নই। উনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী। তারপরই হাসিতে ফেটে পড়েন ওই মহিলা কর্মী। এরপর সার্টিফিকেটটি তাঁর সহকর্মীদেরও দেখান। তা দেখে প্রত্যেকেই প্রথমে অবাক হয়ে গেলেও পরে হাসতে শুরু করেন। আসলে, বিমানবন্দরের কর্মীরা আগে কখনও এরকম দেখেননি। তাই শুরুতে বিভ্রাট সৃষ্টি হয়৷ পরে অবশ্য তিনি আমার সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন।” এই পোস্টটি ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়াতেও হাসির রোল উঠেছে।