দিল্লির বাসভবন ছাড়তেই হবে মুকুল রায়কে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই বাড়িছাড়া করা, দাবি বিধায়কের

দিল্লির বাসভবন ছাড়তেই হবে মুকুল রায়কে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই বাড়িছাড়া করা, দাবি বিধায়কের
দিল্লির বাসভবন ছাড়তেই হবে মুকুল রায়কে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই বাড়িছাড়া করা, দাবি বিধায়কের

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এবং তৃণমূলের তৃতীয়বারের জন্য বাংলার ক্ষমতায় ফেরার পর, বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরেছেন বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। এককথায় বলা যায় তিনি ‘ঘরে’ ফিরেছেন। পাশাপাশি বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদে থাকাকালীন আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এরপরই তাঁকে নিয়ে বিতর্কের শুরু।

আবার বিজেপির বিধায়ক পদ থেকেও তিনি ইস্তফা দেননি। যা নিয়েও কম বিতর্ক হয়নি। এখনও তা জারি রয়েছে। তাঁর বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে মামলাও হয়েছে। এদিকে তাঁর তৃণমূলে যোগদানের পর থেকেই তাঁর দিল্লিতে ১৮১, সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাসভবনটি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে মুকুলকে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের পক্ষ থেকে, মুকুল রায়কে দিল্লির বাসভবন ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রথম নোটিশটি দেওয়া হয় ১৯ জুলাই। এরপর একই মাসের ২৬ জুলাই একই কারণে দ্বিতীয় নোটিশ দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর, নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক বলছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাঁকে বাড়িছাড়া করল মোদি সরকার।

সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন এই ঠিকানায় থাকার কারণে মুকুল রায় বাসভবনটি ছাড়তে চাননি। তাঁর বর্তমান দলের নেতাদের নিজের ইচ্ছের কথা জানান মুকুল রায়। সেইমতো প্রথমে দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন রাজ্যসভার হাউস কমিটিতে আবেদন জানান যে, তাঁর অতিথি হিসেবে যেন মুকুল রায়কে এইবার ভবনটিতে থাকতে দেওয়া হয়। কিন্তু সেই আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দেয় রাজ্যসভার হাউস কমিটি।

এরপর একই আবেদন জানান তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার মুখ্যসচেতক শুখেন্দু শেখর রায়ও। সম্প্রতি সেই আবেদনও খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই এই বিষয়ে কার্যত হাল ছেড়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এখন বাসভবনটি ছেড়ে দেওয়া ছাড়া অন্য আর কোন উপায় নেই মুকুল রায়ের কাছে।

উল্লেখ্য, বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তর অতিথি হিসেবে ওই বাড়িটি দেওয়া হয়েছিল মুকুল রায়কে। পরে মুকুল রায় তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় বাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। মুকুল রায় যাতে ওই বাড়িতেই থাকেন সেজন্য তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যথেষ্ট চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। এর ফলে বাড়িটি ছেড়েই দিতে হবে।