ক্রমেই অবস্থার অবনতি! একমো সাপোর্টে মুকুল রায়ের স্ত্রী

ক্রমেই অবস্থার অবনতি! একমো সাপোর্টে মুকুল রায়ের স্ত্রী
ক্রমেই অবস্থার অবনতি! একমো সাপোর্টে মুকুল রায়ের স্ত্রী

করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই অবস্থার অবনতি হতে শুরু করেছে মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়ের। একমো সাপোর্টে রয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার ফুসফুস। এই মুহূর্তে তাকে চেন্নাইয়ে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। তবে তার যা শারীরিক অবস্থা, এই মুহূর্তে তাকে কোনমতেই একমো সাপোর্ট খুলে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া যাবে না। তাই আর কিছুদিন পর তাকে সুস্থ করে নিয়ে যাওয়া হবে চেন্নাইয়ে।

করোনা আক্রান্ত হয়ে ১ মাস যাবত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ১০দিন ধরে রয়েছেন একমো সাপোর্টে। ইতিমধ্যেই চেন্নাই থেকে দুজন চিকিৎসক এসে কৃষ্ণা দেবীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। এর পরেই তারা জানিয়েছেন মুকুল পত্নীর ফুসফুসের অবস্থা ভালো নয় তা প্রতিস্থাপন করতে হবে।খুব শীঘ্রই তার ফুসফুস পরিবর্তন করতে হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। সেক্ষেত্রে অঙ্গদাতা প্রয়োজন। ব্রেন ডেথ হয়েছে এমন কারও অঙ্গ পেতে গেলে তার জন্য রিজিওনাল অর্গান অ্যান্ড টিস্যু ট্রান্সপ্লান্ট অর্গানাইজেশনে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। আপাতত তারই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

তবে এই মুহূর্তে কৃষ্ণাদেবীর যা শারীরিক অবস্থা তাতে একমো সাপোর্ট থেকে সরিয়ে চেন্নাই নিয়ে যাওয়াটাও চ্যালেঞ্জিং। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও কিছুটা স্বাভাবিক হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে মুকুল রায়ের স্ত্রীকে। এদিকে শুক্রবারই তৃণমূল ভবনে মুকুল রায় যোগদানের পরেই বিকেলে কৃষ্ণাদেবীকে দেখতে হাসপাতালে যান ফিরহাদ হাকিম।

প্রসঙ্গত, গত ২ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হাসপাতালে দেখতে যান অসুস্থ কৃষ্ণা রায়কে। সেখান থেকেই রায় পরিবারের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে জল্পনার শুরু হয়েছিল। যার যবনিকা পতন হল শুক্রবার তৃণমূল ভবনে।