সপ্তমীর মধ্যেই ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন! পুজোর মরশুমে টিকাকরণ নিয়ে এই কড়া নির্দেশ নবান্নের

সপ্তমীর মধ্যেই ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন! পুজোর মরশুমে টিকাকরণ নিয়ে এই কড়া নির্দেশ নবান্নের / প্রতীকী ছবি
সপ্তমীর মধ্যেই ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন! পুজোর মরশুমে টিকাকরণ নিয়ে এই কড়া নির্দেশ নবান্নের / প্রতীকী ছবি

পুজোর মরশুমে ভ্যাকসিন দেওয়া নিয়ে তৎপরতা বাড়াল রাজ্য সরকার। আগামী ৫ দিনের মধ্যেউ যাতে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ সম্পূর্ণ হয়, বৃহস্পতিবার সে নিয়ে কড়া বার্তা দিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। সূত্রের খবর, সপ্তমীর মধ্যেই টিকাকরণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে চায় রাজ্য। এই মর্মে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে প্রতিটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকে তরফে জানতে চাওয়া হয়েছিল, রাজ্যকে যে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে পুজোর আগেই তা শেষ করতে পারা যাবে কি না! যদি ভ্যাকসিন পুজোর আগে ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া না শেষ না হয়, তাহলে রাজ্যের বরাদ্দ থেকে বেশ কিছুটা কাটছাঁট করে দেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এই বার্তা আসার পরেই নাকি রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর এমন সিদ্ধান্ত নেয়। তাই পুজোর আগেই ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শেষ করতে বিশেষ তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্য।

এমনিতেই কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নতুন নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়া থাকলে তবেই অঞ্জলি দেওয়া বা সিঁদুর খেলা যাবে। যাঁরা পুজোর কাজে নিয়োজিত থাকবেন তাঁদেরও দুটি ডোজ আবশ্যক। এছাড়াও পুজোর সময় রাস্তাঘাটে ভীড় বাড়বে। সেই সময় সংক্রমণ যাতে বেশি না ছড়িয়ে পড়ে, তাই পুজোর আগেই টিকাকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে পুজো নিয়ে ১১ দফা গাইডলাইন জারি করা হয়েছে। সেখানেও করোনা বিধি মানা নিয়েও একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রায় ৬ কোটি ৪ লাখের কাছাকাছি মানুষকে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪ কোটি ৩১ লাখের কাছাকাছি মানুষকে। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১ কোটি ৭৩ লাখের কাছাকাছি মানুষ। পরিসংখ্যান বলছে, ৬ই অক্টোবর একদিনে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ১০ লক্ষ ৩৮ হাজার ১৮১ জন মানুষকে। তাই আগামী ৫ দিনে ৫০ লক্ষ ভ্যাকসিন দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করতে গেলে এই পদ্ধতি মেনে একই গতিতে টিকাকরণ চালু রাখতে হবে বলেই মনে করছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা।