উত্তরপ্রদেশে খোঁজ মিলল ‘করোনা মাতা’র মন্দিরের! পুজো দিতে গেলে মানতে হবে কোভিড বিধি-নিষেধ

উত্তরপ্রদেশে খোঁজ মিলল 'করোনা মাতা'র মন্দিরের! পুজো দিতে গেলে মানতে হবে কোভিড বিধি-নিষেধ
উত্তরপ্রদেশে খোঁজ মিলল 'করোনা মাতা'র মন্দিরের! পুজো দিতে গেলে মানতে হবে কোভিড বিধি-নিষেধ

করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশ জুড়ে। আর সেই আতঙ্ক কাটাতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ‘করোনা মাতা’ পুজো করে চলেছেন কিছু ধর্মপ্রাণ মানুষ। করোনার হাত থেকে রক্ষা পেতে সেই দেবীই যেন ভরসা! কিছুদিন আগে তামিলনাড়ুতে দেখা গিয়েছিল করোনা মাতার মন্দির৷ এবার উত্তরপ্রদেশেও খোঁজ মিলল এমনই এক মন্দিরের। করোনা রুখতে যেখানে প্রতিদিনই চলছে পুজো-আচ্চা।

উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড় জেলার শুক্লাপুর গ্রামে তৈরি হয়েছে এই ‘করোনা মাতা’র মন্দির। গত পাঁচ দিন আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুদানের সহায়তায় লোকেশ কুমার শ্রীবাস্তব নামে এক ব্যক্তি মন্দিরটি তৈরি করেছেন। পুরোহিত হিসেবে নিযুক্ত করা রয়েছে গ্রামের রাধে শ্যাম ভার্মাকে। তিনিই প্রতিদিন করোনা মাতার পুজো সারেন। করোনা মাতার বিগ্রহটি একটি নিমগাছের তলায় অধিষ্ঠিতা। শ্বেতবর্ণ সেই দেবীর চার হাত ও মুখ ঢাকা মাস্কে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই মন্দিরের কিছু নিয়ম রয়েছে। দেবীর পায়ে ফল, ফুল, মিষ্টি বা যা কিছুই দেবীর পায়ে নিবেদন করা হোক না কেন, তা ‌হলুদ রঙের হতে হবে। এছাড়াও এখানে পুজো দিতে গেলে মেনে চলতে হবে সমস্ত কোভিড বিধি-নিষেধ। হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করেই দেওয়া যাবে পুজো। এছাড়াও সামাজিক দূরত্ব মানা এবং মুখে মাস্ক থাকাও বাধ্যতামূলক।

কিন্তু হঠাৎ এই মন্দির গড়ে তোলা হল কেন? স্থানীয়দের কথায়, ইতিমধ্যেই করোনা কেড়ে নিয়েছে বহু মানুষের প্রাণ। করোনা যাতে আর দাপট না দেখাতে পারে, আরও আঘাত যাতে না হানতে পারে, তাই এই দেবীর পুজো করা হচ্ছে। অর্থাৎ সোজা কথায় করোনা ভাইরাসকে রুখতেই এই মন্দির গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই তামিলনাড়ুর কোয়েম্বটুর থেকে অদূরে কামাতচিপুরম গ্রামেও করোনা মাতার মন্দিরের খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। এবার যোগীরাজ্যেও দেখা মিলল সেরকমই আরেক মন্দিরের।