জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত! পরপর টানা ৯ দিন বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য! রইল বিস্তারিত

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত! পরপর টানা ৯ দিন বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য! রইল বিস্তারিত
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত! পরপর টানা ৯ দিন বাড়ল জ্বালানি তেলের মূল্য! রইল বিস্তারিত

বংনিউজ২৪x৭ডিজিটাল ডেস্কঃ এখনও পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এই নিয়ে পরপর টানা ৯ দিন বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। সাধারণ মানুষের কপালে স্বভাবতই চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। সঙ্গে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি তো রয়েইছে।

বুধবার পেট্রলে লিটার পিছু দাম বেড়েছে ২৩-২৫ পয়সা। আর ডিজেলের ক্ষেত্রে প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ২৪-২৬ পয়সা। কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই, বেঙ্গালুরুর মতো মেট্রো শহরের পাশাপাশি সব শহরেই কম-বেশি এই মূল্যবৃদ্ধি লক্ষা করা গেছে। তবে, সবথেকে খারাপ অবস্থা মুম্বইয়ের। সেখানে সাধারণ মানুষের মাথায় হাত ওঠার জোগাড়। তার কারণ মুম্বইয়ে এই প্রথমবার পেট্রলের দাম হয়েছে লিটার প্রতি ৯৬ টাকা।

উল্লেখ্য, এবারের বাজেট পেশের পরপরই আশঙ্কা করা হচ্ছিল যে, এবারও বাড়তে চলেছে জ্বালানির দাম। সেই আশঙ্কাই সত্যি প্রমাণিত হয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে, টানা ৯ দিন ধরে এভাবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। পরপর টানা ৯ দিন ধরে এই মূল্যবৃদ্ধির জেরে পেট্রলের এবং ডিজেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় গিয়ে পৌঁছেছে। এই মুহূর্তে কলকাতা শহরে প্রতি লিটার পেট্রলের দাম ৯০.৫৪ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৯০.৭৮ পয়সা। অন্যদিকে ডিজেলের দাম ৮৩.২৯ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৩.৫৪ টাকা। আবার রাজধানী দিল্লিতে আজ থেকে প্রতি লিটার পেট্রল এবং ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৮৯.৫৪ টাকা এবং ৮৯.৯৫ টাকা হয়েছে। আবারও দাম বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। চেন্নাইতে ইতিমধ্যেই পেট্রলের দাম ৯১ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৯১.৬৮ টাকা আর ডিজেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৮৫.০১ টাকা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও, দেশে এভাবে জ্বালানি তেলের মুল্যবৃদ্ধির একমাত্র কারণ কেন্দ্রের চাপানো অতিরিক্ত সেস এবং অন্তঃশুল্ক। এর সঙ্গে রাজ্যের চাপানো শুল্ক তো রয়েইছে। সম্প্রতি কেন্দ্রের পেশ করা বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ পেট্রল-ডিজেলের উপর কৃষি সেস বসিয়েছেন। পেট্রলে লিটারপ্রতি চার টাকা এবং ডিজেলে লিটারপ্রতি ২.৫ টাকা অতিরিক্ত সেস বসেছে। তবে, এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে, এই অতিরিক্ত সেসের প্রভাব সরাসরি সাধারণ মানুষের উপর পড়বে না। তা যাবে জ্বালানি তেল বিক্রয়কারী সংস্থাগুলির পকেট থেকে। তবে দেখা যাচ্ছে, অর্থমন্ত্রকের সেই দাবির সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই। বাজেট পেশের পর নিয়মিত দাম বাড়িয়েই চলেছে তেল সংস্থাগুলি। যার জেরে প্রায় প্রতিদিনই নতুন রেকর্ডে পৌঁছে যাচ্ছে জ্বালানির দাম।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.