বকেয়া বেতন না মেলায় বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ

Image Source-Google

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ বাঁকুড়াঃ বকেয়া বেতন ও অনান্য পাওয়ানা মেটানোর দাবীতে বাঁকুড়ার বড়জোড়ার একটি বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় শ্রমিক বিক্ষোভ। বিক্ষোভে সামিল বিজেপি প্রভাবিত শ্রমিক সংঠন। দীর্ঘ আটমাস ধরে বন্ধ রয়েছে এই কারখানা। শাসক দলের সাথে কারখানা মালিকের যোগসাজসের অভিযোগ বিজেপির, অভিযোগ অস্বীকার শাসক দলের। জানাগেছে, বাঁকুড়ার বড়জোড়া শিল্পতালুকের ঘুটগড়িয়ায় প্রায় আট মাস ধরে বন্ধ রয়েছে একটি বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানা। ফলে কর্মহীন হয়েছেন প্রায় সাড়ে তিনশ জন শ্রমিক। কাজ হারিয়ে সংসারে পড়েছে অর্থের টান ওই শ্রমিকদের। কারখানায় কাজ করার পরেও মিলছে না বেতন। অভিযোগ, দীর্ঘ আট মাসের বকেয়া বেতন বাকি রেখে কারখানা বন্ধের নোটিশ দিয়েছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সূত্রে খবর এই এলাকায় কারখানা টি দীর্ঘ দশ বছর ধরে চলছিল।কারখানা বন্ধের বিরোধিতায় বিক্ষোভে সামিল বিজেপির শ্রমিক সংগঠন বি এম এস। সকাল থেকে কর্মী-সমর্থকরা ঐ কারখানার বেশকিছু শ্রমিকদের কে নিয়ে কারখানার গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবী, দীর্ঘ আট বছর ধরে তারা এই কারখানায় কাজ করে রুজি-রোজগার চালিয়ে আসছেন। বর্তমানে প্রায় আট মাস যাবত বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে এই কারখানা। অথচ কারখানা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের যোগসাজশে শ্রমিকদের সাত মাসের বকেয়া বেতন থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। দ্রুত এই বকেয়া না মেটানো হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভে সামিল শ্রমিকরা।

শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিএমএস নেতৃত্ব। তাদের দাবী, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের যোগসাজশে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এই কারখানা।বারংবার কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে কোনো সদুত্তর না মেলায় কারখানার গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় বিএমএস। বি এম এস এর কর্মী-সমর্থকরা নিজেদের ক্ষোভ সামলাতে না পেরে কারখানা নিরাপত্তা কর্মীদের সাথে প্রথমে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। তারপর কারখানার গেট কে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইট-পাটকেল।

তবে বিজেপির তোলা কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গোপন যোগসাজশের কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের দাবি তারাও চান শ্রমিকরা যেন তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত না হয়।

আরও পড়ুনঃ  সারদা মামলায় রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন দেবযানী

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.