বিদায়ী বিধানসভায় রাজ্যের বিধায়কদের বিষয় আশয়

বিদায়ী বিধানসভায় রাজ্যের বিধায়কদের বিষয় আশয়
বিদায়ী বিধানসভায় রাজ্যের বিধায়কদের বিষয় আশয়

বিদায়ী বিধানসভায় রাজ্যে সবচেয়ে ধনী বিধায়ক ছিলেন বাঁকুড়ার তালডাংড়া আসন থেকে তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত সমীর চক্রবর্তী। পাঁচ বছর আগে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি টাকার বেশি। আর সবচেয়ে গরিব বিধায়ক ছিলেন ‘সর্বহারা’ মানুষের প্রতিনিধিত্বের কথা বলা পাঁশকুড়া পূর্বের সিপিআই বিধায়ক শেখ ইব্রাহিম আলি।

শিয়রে ফের বিধানসভার ভোট। আগামী ২৭ মার্চ থেকে ফের পাঁচ বছরের জন্য নিজেদের ভাগ্যবিধাতাদের বেছে নিতে চলেছেন বঙ্গবাসী। ইতিমধ্যেই ভোটের ময়দানে বিভিন্ন দলের প্রার্থী হয়ে কারা দাঁড়াবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কিন্তু বিদায়ী বিধানসভার বিধায়কদের সম্পর্কে আমরা প্রায় কেউ খবর রাখিনা।

পাঁচ বছর আগে ভোটের সময়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে তালডাংরা আসন থেকে লড়াই করতে নামা তৃণমূল প্রার্থী সমীর চক্রবর্তী নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হলফনামায় জানিয়েছিলেন তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ৪০ কোটি ৫৯ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা। প্রাচুর্যের ক্ষেত্রে সমীর চক্রবর্তীর চেয়ে খানিকটা পিছিয়ে রাজ্যের শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ২৮ কোটি ৪ লক্ষ ৮৫ হাজার ৭০২ টাকা। ধনীর নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কসবার তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ আমেদ খান। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ১৭ কোটি ২৯ লক্ষ ৮১ হাজার ৮৬৯ টাকা।

ধনী বিধায়কদের তালিকা থেকে এবার চোখ ফেরানো যাক গরিব বিধায়কদের তালিকায়। রাজ্যের বিদায়ী বিধায়কদের মধ্যে সবচেয়ে গরিব শেখ ইব্রাহিম আলি। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া পূর্ব আসন থেকে সিপিআইয়ের টিকিটে জিতেছিলেন তিনি। ইব্রাহিম আলির চেয়ে আর্থিকভাবে কিছুটা এগিয়ে নদিয়ার নবদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক পুণ্ডরীকাক্ষ সাহা। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৭৫ হাজার ৪২৩ টাকা। বাঁকুড়ার সোনামুখী বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম বিধায়ক অজিত রায়ের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল এক লক্ষ ২৪ হাজার ৭৯৭ টাকা।

বেসরকারি নির্বাচনী নজরদার সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের পক্ষ থেকে বুধবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, রাজ্যের ৯৭ জন বিধায়কই কোটিপতি। তার মধ্যে তৃণমূলের ৭৮ জন, কংগ্রেসের ১৩ জন, সিপিআইএমের ২ জন, বিজেপির ২ জন, আরএসপি-র একজন ও একজন নির্দল বিধায়ক রয়েছেন।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.