চা খেয়ে যাব বলেছিলাম, রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি! কুণালের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে বললেন রাজীব

চা খেয়ে যাব বলেছিলাম, রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি! কুণালের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে বললেন রাজীব
চা খেয়ে যাব বলেছিলাম, রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি! কুণালের সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে বললেন রাজীব

চা খেয়ে যাব বলেছিলাম। রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের বাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে এমনটাই দাবি করলেন বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তাঁর আরও দাবি, এটা নিছকই সৌজন্য সাক্ষাত।

বেশ কিছদিন থেকেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘর ওয়াপসির গুঞ্জন উঠেছে। এরমধ্যেই দিলীপ ঘোষের বৈঠকে তার অনুপস্থিতি, ফেসবুকে বেসুরো পোস্ট সব কিছুই সেই জল্পনাকে উসকে দিচ্ছে। সব কিছুর মধ্যেই শনিবার কুণাল ঘোষের বাড়িতে তার দেখা করতে যাওয়া সেই আগুনে যেন ঘি ঢালল। যদিও দল বদলের কোনও আলোচনাই এদিন হয়নি বলে দাবি করেছেন উভয় পক্ষই।

শনিবার সন্ধ্যায় কুণালের পাশে দাঁড়িয়ে রাজীব জানান, উত্তর কলকাতায় এক অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে এসেছিলেন। সেই সময় ‘দীর্ঘদিনের পরিচিত’ কুণালের সঙ্গে দেখা করে যাবেন বলে ভাবনাচিন্তা করেন। সেইমতো ফোন করেন কুণালকে। ‘কাকতলীয়ভাবে’ তখন মানিকতলায় ছিলেন কুণাল। তাই নেহাতই ‘সৌজন্য সাক্ষাতের’ এসেছিলেন। রাজীবের কথায়, “চা খেয়ে যাব বলেছিলাম। রাজনীতি নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি, কোথায় কী প্রত্যাবর্তন, সে বিষয়েও আলোচনা হয়নি”।

কিন্তু মুকুল রায়ের তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে কুণালের সঙ্গে দেখা করা কি স্রেফ সৌজন্য সাক্ষাৎ? তাও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়া ও অন্যের গাড়িতে এসেছিলেন? তাও সেই বৈঠক চলেছে প্রায় দেড় ঘণ্টা? রাজীবের সাফাই, কুণালের সঙ্গে তো দেখা করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

যদিও সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে অনড় থেকেছেন রাজীব। বলেন, “এখনও বলছি যে এই বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা একটা সরকারের একমাস হয়েছে। সেখানেই যদি এক্ষুণি রাষ্ট্রপতি জারি করতে চায় বা গোঁড়া সাম্প্রদায়িকতা কোথাও দেখাতে চায় বা ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করতে চায়, তার বিরোধিতা করছি। বিগত দিনে দলেও বিরোধিতা করেছি।” সঙ্গে বলেন, “নীতিগত দিক থেকে আমার রিজার্ভেশন আছে, সেটা আমি দলকেও জানিয়েছি।”