মারণ করোনার মোকাবিলায়, কোভিডজয়ী শচীনের নয়া উদ্যোগ! জন্মদিনেই জানালেন তিনি

মারণ করোনার মোকাবিলায়, কোভিডজয়ী শচীনের নয়া উদ্যোগ! জন্মদিনেই জানালেন তিনি
মারণ করোনার মোকাবিলায়, কোভিডজয়ী শচীনের নয়া উদ্যোগ! জন্মদিনেই জানালেন তিনি

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ মাত্র কিছুদিন আগেই মারণ করোনার থাবায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ক্রিকেটের ঈশ্বর শচীন তেণ্ডুলকর। নিজেই টুইট করে জানিয়েছিলেন সেকথা। সবেমাত্র করোনাকে জয় করে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। উল্লেখ্য, আজই শচীন তেণ্ডুলকরের জন্মদিন।

এদিকে, এই মুহূর্তে দেশে করোনা পরিস্থিতি বেশ ভয়াবহ। প্রতিদিন ঝড়ের গতিতে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ। দেশব্যাপী ছেয়ে গেছে মারণ করোনা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত দেশ। দেশজুড়ে শুধুই হাহাকার। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা।

তাই এবারের জন্মদিনে কোনও আনন্দ-উৎসব নয়। এই অসময়ে মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিলেন শচীন। জানালেন, শীঘ্রই তিনি প্লাজমা দান করতে চলেছেন। উল্লেখ্য, গত ২৭ মার্চ তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রথমদিকে বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। তবে, শীঘ্রই তিনি সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে আসেন।

আর এবার, নিজের জন্মদিনে, দেশের এই অতিমারি পরিস্থিতির বিরুদ্ধে দেশবাসীকে একসঙ্গে লড়াই করার বার্তা দিলেন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করে তিনি বলতে চেয়েছেন, দেশের এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে সকল দেশবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। পরস্পরের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই এই মারণ করোনা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

শনিবারই তিনি ৪৮ বছরে পা দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে বলেন, ‘আপনাদের শুভকামনা আর আশীর্বাদে আমি সুস্থ হয়ে উঠেছি। বন্ধুবান্ধব, পরিবার-প্রত্যেককে পাশে পেয়েছি। সর্বোপরি চিকিৎসকরা দারুণভাবে পরিষেবা দিয়েছেন। তাঁদের তরফে আপনাদের জন্য একটা বার্তা রয়েছে। গতবছর আমি একটি প্লাজমা সেন্টারের উদ্বোধন করেছিলাম। যাঁরা একবার কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা রক্ত দিয়ে অন্য কোভিড রোগীদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আমিও আমার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করি। তাঁরা জানান, আমি প্লাজমা দিতে পারি। তাই আমি প্লাজমা দিতে চলেছি। আপনাদের বলব, রক্ত দিন। এতে অন্যদের অনেকখানি সুবিধা হবে।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতবছর যখন করোনার প্রথম ঢেউ আছড়ে পড়ে দেশে, তখন মানুষের সাহায্যে একাধিকবার এগিয়ে এসেছিলেন শচীন বিভিন্নভাবে। কখনও পিএম কেয়ারে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন, তো আবার কখনও দুস্থদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এবার কোভিডজয়ী হয়ে প্লাজমা দান করতে চলেছেন লিটল মাস্টার।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.