বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করতে চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যের

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করতে চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যের
বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করতে চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যের

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ দেশে হু হু করে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। দেশের মধ্যে বেশ কিছু রাজ্যে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার মুখে।

হাসপাতালে বেড নেই। দেশজুড়ে অক্সিজেনের অভাব দেখা দিয়েছে। অক্সিজেনের অভাবে ক্রমশ বাড়ছে মানুষের মৃত্যু। বাড়ছে মৃত্যু মিছিলে শবদেহের সংখ্যা। দেশজুড়ে হাহাকার। যে দিকেই চোখ যায়, প্রিয়জনকে বাঁচাবার জন্য কাতর আর্তি। চিকিৎসকদের অসহায়ভাবে হাতজোড় করে অক্সিজেনের জন্য আবেদন। এসব এখন নিত্যদিনের দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আরও ৯৩ টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট নির্মাণ করতে চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি দিল রাজ্য। ইতিমধ্যেই ৫ টি প্ল্যান্টের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। পাইপলাইনের মাধ্যমে সব হাসপাতালে সরবরাহ করা হবে অক্সিজেন। রাজ্যে অক্সিজেনের কোনও অভাব নেই। এমনটাই দাবি করা হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে।

আজ সপ্তম দফার ভোট সম্পন্ন হয়েছে, আর আজই শেষ হল অষ্টম দফার ভোটের প্রচার। এদিকে আজই অর্থাৎ সোমবার কলকাতায় ফিরে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের লিখিত অনুমতি নিয়ে, করোনা মোকাবিলায় নবান্ন এসে, মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরাষ্ট্রসচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদী, স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগমের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ওই বৈঠকে হাসপাতালের বেড-সহ পরিকাঠামো নিয়ে রিপোর্ট নেন তিনি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা ও অক্সিজেন পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। সরকারের তরফে জানানো হয়, রাজ্যে যেখানে প্রতিদিন ২২৩ মেট্রিকটন অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, সেখানে উৎপাদনের পরিমাণ ৪৯৭ মেট্রিক টন। ফলে অক্সিজেন সংকটের কোনও প্রশ্নই নেই।

কিশোর ভারতী ও গীতাঞ্জলী স্টেডিয়ামে সেফ হোম করবে মেডিকা। হজ সেন্টারে সেফ হোম করবে চার্নক হাসপাতাল। ২০০ বেড হবে বলে জানানো হয়েছে। আর এন টেগোরের সল্টলেক ক্যাম্পাসেও হবে সেফ হোম। সূত্রের খবর, দুটি ক্যাম্পাসেই বেড বাড়াবে আমরি।

অন্যদিকে, রাজ্য সরকারকে রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ মিশন জানিয়েছে যে, যদি কোনও পরিবারের উপার্জন করে এমন সদস্য কোভিডে মারা যান, যেমন-মা অথবা বাবা, তাহলে সেই পরিবারের ৬ থেকে ১৪ বছরের সন্তান থাকলে তাদের পড়াশোনা থেকে শুরু করে যাবতীয় দায়িত্ব নিতে তারা প্রস্তুত। এর পাশাপাশি তারা রাজ্য সরকারকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে ৫ লাখ টাকার অনুদানও দিয়েছে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.