করোনা পরিস্থিতিতে কড়া কমিশন! ভোট গণনার দিন বা পরের দিন করা যাবে না বিজয় মিছিল

করোনা পরিস্থিতিতে কড়া কমিশন! ভোট গণনার দিন বা পরের দিন করা যাবে না বিজয় মিছিল
করোনা পরিস্থিতিতে কড়া কমিশন! ভোট গণনার দিন বা পরের দিন করা যাবে না বিজয় মিছিল

বংনিউজ২৪x৭ ডেস্কঃ ভোট আবহে যেভাবে রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেছে মাদ্রাস হাইকোর্ট। পাশাপাশি আগাম নিরাপত্তার জন্য কী ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন তাও কাছে চাওয়া হয়েছে গতকাল। অন্যথায় ২ মে ভোট গণনা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এরপরেই কার্যত নড়েচড়ে বসে কমিশন। রাজ্য নির্বাচন দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন।

কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২ মে ভোট গণনার সময় কি কি সতর্কতা নেওয়া হবে তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে ওই বৈঠকে। এবং বৈঠকের পর দিল্লির নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আজ জানানো হয় যে, বিধানসভার ভোট গণনার দিন অর্থাৎ আগামী ২ রা মে বা তার পরদিনও কোনও বিজয় মিছিল বের করা যাবে না। মূলত জনসমাগম রুখতেই এরূপ পদক্ষেপ নিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে কমিশনের তরফে এও জানানো হয় যে, ভোট গণনার পর রিটার্নিং অফিসারের কাছে শংসাপত্র বা সার্টিফিকেট নেওয়ার সময় জয়ী প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধির সঙ্গে দুজনের বেশি থাকতে পারবেন না। এছাড়া যথাযথ করোনা বিধি মেনেই ভোট গণনা করা হবে বলেই জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে।

প্রসঙ্গত, গতকাল রাজ্যে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধিতে কমিশনকে দায়ী করে মাদ্রাস হাইকোর্ট। পাশাপাশি এই আবহে রাজনৈতিক সমাবেশে অনুমোদন দেওয়ার জন্য হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন। প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে বলেন, “আপনাদের প্রতিষ্ঠানই এককভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউর জন্য দায়ী।” আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ‘সম্ভবত খুনের মামলা’ হওয়া উচিত বলেও জানান তিনি। নির্বাচন কমিশনকে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “যখন নির্বাচনী সমাবেশ হচ্ছিল, তখন কি আপনারা অন্য গ্রহে ছিলেন?”

এরপরেই মাদ্রাজ হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের কাছে ২ মে-এর পরিকল্পনা জানতে চেয়েছে। তার সঙ্গে সাফ জানিয়েছে, যদি করোনাবিধি মেনে চলার নির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকে তাহলে সে দিন গণনা বন্ধ করবে হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি বলেন, “মানুষ বেঁচে থাকলে তবেই গণতান্ত্রিক অধিকার উপভোগ করতে পারবে”।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.