নদিয়ার তেহট্টের সভা থেকে মতুয়াদের উন্নয়নে কী কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অমিত শাহ? দেখে নিন একনজরে

নদিয়ার তেহট্টের সভা থেকে মতুয়াদের উন্নয়নে কী কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অমিত শাহ? দেখে নিন একনজরে
নদিয়ার তেহট্টের সভা থেকে মতুয়াদের উন্নয়নে কী কী প্রতিশ্রুতি দিলেন অমিত শাহ? দেখে নিন একনজরে

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে নদিয়ার তেহট্টে নির্বাচনী সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এই সভা থেকেই মতুয়াদের উন্নয়নে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কোথাও ঘোষণা করেন। এর সঙ্গে ফের একবার শাসনের নামে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের একাধিক দুর্নীতির কথা তুলে ধরে আক্রমণ করেন। এই সভা থেকে বাংলায় অনুপ্রবেশ বন্ধ করার প্রসঙ্গেও সরব হন।

আজ তেহট্টের নির্বাচনী সভায় মতুয়া ধাম ঠাকুর নগরকে ঢেলে সাজানোর কথা ঘোষণা করলেন অমিত শাহ। তেহট্টের বেতাইয়ের সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন যে, গত ১০ বছরে মতুয়াদের জন্য বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার কিছুই করেনি। ক্ষমতায় এলেই মতুয়া-নমঃশুদ্র বিকাশ বোর্ড গঠন করা হবে এই সম্প্রদায়ের উন্নয়নের লক্ষ্যে। বিজেপির সরকার বাংলায় গঠন হওয়ার পরেই ঠাকুরনগর স্টেশনের নাম শ্রীধাম ঠাকুরনগর করা হবে। ঠাকুরনগরকে টুরিস্ট সার্কিটের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে। শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুরের ধামকে পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

এদিন অনুপ্রবেশ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অমিত শাহ। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, তৃণমূল কংগ্রেস কি অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে সক্ষম? তিনি বলেন যে, অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে তৃণমূল কেন সিপিএম, কংগ্রেসও পারবে না। এই কাজ একমাত্র বিজেপির পক্ষেই করা সম্ভব। অমিত শাহের দাবি, রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠন হলে, সীমান্ত পার করা মানুষ তো দূরের কথা, পাখিও ঢুকতে পারবে না।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন যে, ‘এই দিদি বলেন, যতক্ষণ আমি আছি ততক্ষণ মতুয়া ও নমঃশুদ্ররা নাগরিকত্ব পাবে না। আরে দিদি! কতদিন আছেন আপনি? ২ মে আপনার বিদায় নিশ্চিত। তারপর মতুয়া ও নমঃশুদ্ররা নাগরিকত্ব পাবে। দিদি, যারা এতদিন এখানে বসবাস করছে তারা নাগরিকত্ব পাবে না? কারণ আপনার ভোটব্যাঙ্কের মানুষদের তাতে আপত্তি আছে বলে? ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করি না।’

এর পাশাপাশি কেন্দ্রের কিষান সম্মান নিধির প্রসঙ্গ টেনে অমিত শাহ বলেন, ‘কেন্দ্র গোটা দেশের কৃষকদের বছরে ৬০০০ টাকা দেয়। আপনারা কি পান? দিদি বলেন, ওই টাকার দরকার নেই। বলুন তো ওই টাকার প্রয়োজন আছে কি নেই! আমি বলে যাচ্ছি, ক্ষমতায় এলে আপনাদের ব্য়াঙ্ক অ্য়াকাউন্টে তিন বছরের ১৮,০০০ টাকা জমা করে দেব। মোদীজি কিষাণ সম্মান নিধি দিতে চান। আর দিদি চান ভাইপোর সম্মান। আয়ুষ্মান ভারত যোজনা এনেছিলেন মোদী সরকার। ওই টাকা আপনারা পান না। কারণ দিদি তা রুখে দিয়েছে। দিদিকে সরিয়ে দিন। ২মে থেকে ৫ লাখ টাকার চিকিত্সা যোজনা সবার জন্য করে দেবেন। মোদীজি আর্থিক উন্নতি চান। আর দিদি চান দুর্নীতির বাড়বাড়ন্ত।’