ভোটের আগের রাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার আধিকারিককে

ভোটের আগের রাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার আধিকারিককে
ভোটের আগের রাতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের! সরানো হল মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার আধিকারিককে

চতুর্থ দফার আগের দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আধিকারিক অশোক চক্রবর্তী কে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। যা নিঃসন্দেহে ভোটের মুখে বড় ধাক্কা। অশোক চক্রবর্তী কে সরিয়ে তার পরিবর্তে কাকে আনা হলো তা অবশ্য নির্বাচন কমিশনের ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়নি।

নন্দীগ্রামে গিয়ে ১০ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী যখন প্রচার করছিলেন ঠিক তার পরেই দুর্ঘটনায় আহত হন তিনি। সেই ঘটনাতেই কার্যত কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহত হওয়ার ঘটনায় রাজ্যে নিরাপত্তা অধিকর্তা বিবেক সহায়কে সরানো হয়েছিল। পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার কে সরিয়ে ছিল কমিশন। এবার সরানো হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা আধিকারিককে।

শুক্রবার বিকেলে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী নিরাপত্তায় থাকা ওএসডি অশোক চক্রবর্তীকে সরানো হচ্ছে। তবে তার জায়গায় কাকে আনা হচ্ছে সেটা এখনো জানানো হয়নি। সূত্রের খবর, তৃণমূল নেত্রীর নন্দীগ্রামে গিয়ে ভোট প্রচারের সময় আহত হওয়ার ঘটনায় কমিশনের কাছে রিপোর্ট গিয়েছিল গাফিলতির কারণেই হয়েছে দুর্ঘটনা। আর ঠিক সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিককে হয়তো সরিয়ে দিলো নির্বাচন কমিশন।

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বেশ কিছুদিন আগেই শুভেন্দু অধিকারীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মেঘনাথ পাল বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবেকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেন। সেখানে অভিযোগ করে জানানো হয়, মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অফিসার অশোক চক্রবর্তী তাঁর নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন।মনকি সাধারণ মানুষকে ভোটদানে বাধা দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। দাবি করা হয় স্বচ্ছ অবাধ নির্বাচনের জন্য তার অপসারণের প্রয়োজন। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ কিনা তা অবশ্য সময় বলবে।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.