বাংলার রাজনীতিতে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রীর রেকর্ড এখনও সুব্রতর ঝুলিতেই

বাংলার রাজনীতিতে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রীর রেকর্ড এখনও সুব্রতর ঝুলিতেই
বাংলার রাজনীতিতে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রীর রেকর্ড এখনও সুব্রতর ঝুলিতেই

নিজের মন্ত্রিত্বকালে যেমন রাজনীতির ময়দানে ছাপ রেখেছেন ঠিক তেমনই পঁচিশ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী হয়েও নজির গড়েছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। যা আজ পর্যন্ত রেকর্ড বাংলার রাজনীতিতে। এবার সেই ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনেরই অবসান ঘটল।

সত্তরের দশকে রাজনৈতিক ময়দানে পা রেখেছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এরপর থেকে একাধিক কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে দলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে গেছেন। দলের খারাপ সময়েও দলকে আঁকড়ে থেকেছেন।

১৯৪৬ সালের ১৪ জুন বজবজে জন্ম হয় সুব্রত মুখোপাধ্যায়। কলেজে পড়তে কলকাতায় আসেন তিনি। বঙ্গবাসী কলেজে পড়ার সময় কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠনে যোগ দেন সুব্রতবাবু। ছাত্র রাজনীতির সূত্রেই ঘনিষ্ঠতা প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির সঙ্গে। এরপরেই প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির ডান হাত হয়ে ওঠেন। সেই সূত্রেই ইন্দিরা গাঁধীর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়।

১৯৭১ সালে ২৫ বছর বয়সে প্রথম বালিগঞ্জ থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। প্রথমবারেই জয়যুক্ত হন নবীন নেতা। ১৯৭২ সালে ফের বালিগঞ্জ থেকে জিতে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য হন সুব্রত। পঁচিশ বছর বয়সের সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী হয়েছিলেন। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। বাংলার রাজনীতিতে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী হওয়ার সেই রেকর্ড এখনও তাঁর দখলেই।

বিধানসভা থেকে শুরু করে পুরসভা, লোকসভা, রাজ্যসভা, ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনের অবসান ঘটল বৃহস্পতিবার। বলা যেতে পারে, সত্তরের দশকে বাংলার উজ্জ্বল ছাত্র রাজনীতি শেষ নক্ষত্রেরও পতন ঘটল। প্রবীণ নেতার প্রয়াণে তাই শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল।

ইতিমধ্যেই পিস ওয়ার্ল্ডে উপস্থিত হয়েছেন একডালিয়া এভারগ্রিন ক্লাবের সদস্যরা। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন তাঁরা।শুরু হয়েছে তত্পরতা। কলকাতা পুলিশের তরফেও তত্পরতা লক্ষ্য করা গিয়েছে। রবীন্দ্র সদন চত্বরকেও সাজিয়ে তোলা হয়েছে।