কোলে সন্তান, স্যুটকেসে স্ত্রীর মৃতদেহ ভরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন স্বামী! প্রকাশ্যে এল ভয়ঙ্কর সিসিটিভি ফুটেজ

কোলে সন্তান, স্যুটকেসে স্ত্রীর মৃতদেহ ভরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন স্বামী! প্রকাশ্যে এল ভয়ঙ্কর সিসিটিভি ফুটেজ
কোলে সন্তান, স্যুটকেসে স্ত্রীর মৃতদেহ ভরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন স্বামী! প্রকাশ্যে এল ভয়ঙ্কর সিসিটিভি ফুটেজ

দিন কয়েক আগেই অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতিতে একটি যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া সেই মৃতদেহের গা জুড়ে ছিল দগদগে ঘা। মৃতদেহ নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সেই তদন্তেই এল এক নয়া মোড়। সম্প্রতি অভিযুক্ত হিসেবে প্রকাশ্যে এসেছে মৃতের স্বামী শ্রীকান্ত রেড্ডির নাম। এবার পুলিশের হাতে এসেছে এক ভয়ঙ্কর সিসিটিভি ফুটেজ। যা আঁতকেই ওঠার মতোই!

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে অভিযুক্ত শ্রীকান্তকে। হাতে একটি বিরাট বড় লাল রঙের স্যুটকেস টানছেন তিনি। কোলে রয়েছে তাঁর দেড় বছরের সন্তান। স্যুটকেস ধরে টানতে টানতে ফ্ল্যাটের করিডর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ঘটনাচক্রে ওই স্যুটকেসেই ছিল তাঁর স্ত্রী ভুবনেশ্বরীর মৃতদেহ। এরপর একটি সরকারি হাসপাতাল এর কাছে ওই স্যুটকেস ফেলে রেখে এসেছিলেন শ্রীকান্ত।

কোলে সন্তান, স্যুটকেসে স্ত্রীর মৃতদেহ ভরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন স্বামী! প্রকাশ্যে এল ভয়ঙ্কর সিসিটিভি ফুটেজ
কোলে সন্তান, স্যুটকেসে স্ত্রীর মৃতদেহ ভরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন স্বামী! প্রকাশ্যে এল ভয়ঙ্কর সিসিটিভি ফুটেজ

অবশেষে পুলিশের নজরে আসতেই ওই স্যুটকেসের সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়। দেহ উদ্ধার করে দেখা যায়, মৃতা যুবতীটির হাড় ও মাথার খুলি ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। এরপরই অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে শ্রীকান্তের নাম। স্ত্রীকে মারার পর মল থেকে ওই স্যুটকেস কিনে নিয়ে এসে তাতে স্ত্রীর দেহ তাতে ভরেন তিনি। এরপর হিরহির করে টানতে টানতে ফ্ল্যাট থেকে ওই স্যুটকেসে বের করে হাসপাতালের কাছে ফেলে আসেন শ্রীকান্ত।

প্রসঙ্গত, ভুবনেশ্বরীদেবী হায়দ্রাবাদের একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্বামী ছিলেন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু অতিমারীর কারণে শ্রীকান্তর কাজ চলে যায়। এরপরই নিজের স্ত্রীকে খুন করেন শ্রীকান্ত। রটিয়ে দেন ডেল্টা করোনা ভাইরাসের কারণে ভুবনেশ্বরীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালই তাই দায়িত্ব নিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছে। তিনি দেহ পাননি। এরপরই পুলিশের হাতে উদ্ধার হয় ওই স্যুটকেস। ঠিক কী কারণে শ্রীকান্ত স্ত্রীকে খুন করেছেন তা স্পষ্ট না হলেও, তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।