দিল্লি সফরে মোদী সাক্ষাৎ হলেও, সোনিয়া সাক্ষাতে ‘না’ তৃণমূল সুপ্রিমোর! কেন? জানালেন মমতা নিজেই

দিল্লি সফরে মোদী সাক্ষাৎ হলেও, সোনিয়া সাক্ষাতে ‘না’ তৃণমূল সুপ্রিমোর! কেন? জানালেন মমতা নিজেই
দিল্লি সফরে মোদী সাক্ষাৎ হলেও, সোনিয়া সাক্ষাতে ‘না’ তৃণমূল সুপ্রিমোর! কেন? জানালেন মমতা নিজেই

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ গতকালই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বৈঠকের পরে বুধবার মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন যে, ‘রাজ্য এগোলে দেশও এগোবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে৷ কিন্তু তার প্রভাব যাতে কেন্দ্র- রাজ্য সম্পর্কে না পড়ে, সেই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি৷ তাই ২০ এবং ২১ এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গে যে বিশ্ব বাংলা সম্মেলন হবে সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। করোনার কারণে বাণিজ্যের অবস্থা খারাপ। তাই কেন্দ্র-রাজ্য মিলে একটা সম্মেলন করলে, তা ভাল। আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

এদিকে, দিল্লিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করলেও, দিল্লি সফরে গিয়েও কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না মমতা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনীতির অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃতীয়বার বাংলার ক্ষমতায় আসার পর, মমতার এই দিল্লি সফর ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎপর্বকে উল্লেখযোগ্য হিসেবেই ধরা হয়েছিল। এবার সোনিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ না হয়াকে ইঙ্গিতবাহী বলেই মনে করা হচ্ছে।

একুশের নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই জাতীয় স্তরে নিজেদের বিস্তার ঘটানোকে লক্ষ্য করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরা, গোয়াতে বিজেপি বিরোধী লড়াই জারি রেখেছে জোরকদমে। তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন জাতীয় স্তরের একাধিক নেতাও। সেই আবহে রাজধানীতে গিয়ে কংগ্রেস নেত্রীর সঙ্গে দেখা না করা নিয়ে কিছুটা দ্বিধাবিভক্ত রাজনৈতিক মহলও।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘আমরা কেন দিল্লি এসে প্রতিবার সোনিয়ার সঙ্গে দেখা করব?’ সাংবাদিকদের তিনি এও বলেন, ‘এবার শুধু প্রধানমন্ত্রীর কাছেই সময় চেয়েছিলাম। কংগ্রেসের নেতারা এখন পাঞ্জাবের নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত৷ আর সবসময় আমরা সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করব? এটা তো সাংবিধানিকভাবে বাধ্যতামূলক নয়।’