ফের শাসকদলের প্রার্থী বদলের জল্পনা অনুব্রত গড়ে! কোন কেন্দ্রে, কোন প্রার্থী বদল? রইল বিস্তারিত

ফের শাসকদলের প্রার্থী বদলের জল্পনা অনুব্রত গড়ে! কোন কেন্দ্রে, কোন প্রার্থী বদল? রইল বিস্তারিত
ফের শাসকদলের প্রার্থী বদলের জল্পনা অনুব্রত গড়ে! কোন কেন্দ্রে, কোন প্রার্থী বদল? রইল বিস্তারিত

বংনিউজ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আবারও একবার দলের অন্দরে প্রার্থী বদলের জল্পনা তৈরি হয়েছে। আর এবারের প্রার্থী বদলের জল্পনা তৈরি হয়েছে অনুব্রত গড় মুরারাই বিধানসভা কেন্দ্রে। উল্লেখ্য, এর আগে এই ক্ষোভের কারণেই দুবরাজপুর বিধানসভার প্রার্থী পরিবর্তন করেছে রাজ্যের শাসকদল। দলের অন্দরে প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভের কারণে পূর্বঘোষিত প্রার্থী অসীমা ধীবরের পরিবর্তে প্রার্থী করা হয় দেবব্রত সাহাকে।

দুবরাজপুর বিধানসভার পর মুরারাই বিধানসভার প্রার্থী বদল। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতির উদ্ভব? ভোটের মুখে এই প্রার্থী বদল এককথায় নাটকীয় পরিবর্তনই বলা যায়। তার কারণ, এর আগে মুরারাই বিধানসভার কংগ্রেস প্রার্থীকে নিয়ে ক্ষোভ দেখা যায় এলাকায়। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থী বদলের পরিস্থিতি তৈরি হয় কংগ্রেসের। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নাম উঠে আসে ওই এলাকারই শিশু চিকিৎসক মোশারফ হোসেনের। মোশারফ হোসেন কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়ার জন্য স্বাস্থ্য দফতরের কাছে ছুটি চান বলেও জানা যায়। এরপরই নাটকীয় পরিবর্তনের শুরু।

মোশারফ হোসেনের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়ার জন্য স্বাস্থ্য দফতরের কাছে ছুটি চেয়েছিলেন। কিন্তু বুধবার সকালে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে ফোন করে তৃণমূলের প্রার্থী হতে বলেন। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন পেয়েই, এরপর মন পরিবর্তন করেন করেন মোশারফ হোসেন। তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হতে চেয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে ছুটি চেয়েছেন বলে সূত্রের খবর।

উল্লেখ্য, মুরারই বিধানসভায় তৃণমূলের পূর্বঘোষিত প্রার্থী আব্দুর রহমান। তিনি এর আগেও এই বিধানসভা থেকে জয়ী হয়েছেন। তবে তাঁকে হঠাৎ পরিবর্তনের পরেও, কোনো দলীয় ক্ষোভ নেই বলেই সূত্রের খবর।

অন্যদিকে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বীরভূম জেলা কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদ জানিয়েছেন, গত ২৮ মার্চ মোশারফ হোসেনকে প্রার্থী করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তিনি বীরভূম জেলা কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদের কাছ থেকে চিঠিও লিখিয়ে নিয়ে গেছেন। মিল্টন রশিদের বক্তব্য, এখন এরপরেও যদি কেউ প্রার্থী ছিনিয়ে নেয় তাহলে কিছু করার নেই।

জানা গিয়েছে যে, চিকিৎসক মোশারফ হোসেন এবং তাঁর পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই কংগ্রেসী পরিবার বলেই এলাকায় পরিচিত। মোশারফ হোসেনের বাবা মোতাহার হোসেন কংগ্রেস আমলে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। আর তাঁর আমলে এলাকায় বিপুল উন্নয়ন হয়েছে বলেও দাবি করে থাকেন এলাকার অধিকাংশ মানুষ।

অন্যদিকে, এই মুরারই বিধানসভায় কংগ্রেস এবং তৃণমূলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই লক্ষ করা গেছে গত বিধানসভা নির্বাচনেও। গত নির্বাচনে সেখানে কংগ্রেস প্রার্থী মাত্র ২৮০ ভোটে তৃণমূলের কাছে পরাজিত হয়।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.