তৃণমূল ভবনের সামনে ধর্নায় খোদ তৃণমূল কর্মীরা, অস্বস্তিতে রাজ্য শাসক দল

তৃণমূল ভবনের সামনে ধর্নায় খোদ তৃণমূল কর্মীরা, অস্বস্তিতে রাজ্য শাসক দল
তৃণমূল ভবনের সামনে ধর্নায় খোদ তৃণমূল কর্মীরা, অস্বস্তিতে রাজ্য শাসক দল

তপসিয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূল কর্মীরা। প্রত্যেকের গলায় ঝোলানো একটি প্ল্যাকার্ড, যেখানে লেখা ছিল- “দলনেত্রীর কাছে একটি বিশেষ বার্তা”। সূত্রের খবর, ২৩টি জেলার ২৬০ জনের বেশি যুব তৃণমূল কর্মী তৃণমূল ভবনের সামনে বসেছিল। দলীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভ কার্যত অস্বস্তিতে ফেলেছে রাজ্য শাসক দলকে।

কিন্তু কেন হঠাৎ করে এই ধরনের বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন তারা? সূত্রের খবর, বিক্ষোভকারীদের কয়েকজনকে ভেতরে ডেকে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু তারা কোন উত্তর দেয়নি। বিক্ষোভকারীদের কথায়, তারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের বার্তা দিতে চান। তিনি ছাড়া দলের অন্য কোন ব্যক্তি, নেতা, মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে রাজি নন বিক্ষোভকারীরা। এদিকে তাদের সামনে দিয়েই তৃণমূল ভবনে প্রবেশ করেছেন সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

বিক্ষোভকারীদের কথায়, তারা নিজেদের এলাকায় যথাযথ সম্মান পাচ্ছেন না। বেশ কিছু সমস্যার সমাধানের জন্যই তারা এই ভাবে বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য হয়েছেন। দীর্ঘক্ষন ধরে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ দেখানোর পর তাদের সঙ্গে কথা বলেন সুব্রত বক্সি। তিনি আশ্বাস দেন, তাদের যাবতীয় অভিযোগ শুনবে দল। এই আশ্বাস পাওয়ার পর আজ বিকেল তিনটে নাগাদ অবস্থান বিক্ষোভ তুলে নেন তারা। অবস্থান বিক্ষোভকারীদের কথায়, বৃহস্পতিবার সুব্রত বক্সীর সঙ্গে কথা বলে তারা নিজেদের সমস্যার কথা জানাবেন।

এদিকে নির্বাচনের মুখে দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এই ধরনের বিক্ষোভ দেখানোয় কার্যত অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সুর চড়াতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। এক বিজেপি নেতার কথায়, নিজেদের ঘরই সামলাতে পারছে না তৃনমূল, বাংলা না তো দূরের কথা। একুশে নির্বাচনে পরিবর্তন আসতে চলেছে বলে আশাবাদী এই বিজেপি নেতা।

আপনাদের মতামত জানাতে কমেন্ট করুন.