তৃণমূলের পাখির চোখ ত্রিপুরা জয়! ত্রিপুরায় দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা

তৃণমূলের পাখির চোখ ত্রিপুরা জয়! ত্রিপুরায় দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা
তৃণমূলের পাখির চোখ ত্রিপুরা জয়! ত্রিপুরায় দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটির ঘোষণা

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূলের পাখির চোখ এখন ত্রিপুরা জয়। একুশে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে বাংলার তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেই বাংলার বাইরে সংগঠন বিস্তারে মন দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তার জন্য প্রথমেই বেছে নেওয়া হয়েছে ত্রিপুরা রাজ্যকে। এই রাজ্যে ২০২৩ সালে রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে জিতে বিপ্লব দেবের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যে বুথস্তর পর্যন্ত সংগঠন শক্তিশালী করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে জোড়াফুল শিবির। তৃণমূলের শীর্ষ স্তরের নেতা-নেত্রীরা প্রায়ই যাচ্ছেন ত্রিপুরায়। ত্রিপুরায় বিপ্লব দেবের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবার আরও একধাপ এগোল তৃণমূল কংগ্রেস।

এবার ত্রিপুরা রাজ্যে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করল তৃণমূল। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সুবল ভৌমিককে। কমিটিতে রাখা হয়েছে সদ্য নির্বাচিত রাজ্যসভার সাংসদ সুস্মিতা দেবকেও। শুধুমাত্র রাজ্য কমিটির স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করাই নয়, ত্রিপুরা রাজ্যের যুব তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির কথাও ঘোষণা করেছে তৃণমূল।

আজ মহালয়ার দিনে এই কমিটির কথা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদনের পরে এই কমিটির কথা জানানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সুবল ভৌমিক এবং সুস্মিতা দেব ছাড়াও ত্রিপুরা রাজ্যের দলের ১৯ জনের স্টিয়ারিং কমিটিতে রাখা হয়েছে প্রকাশ চন্দ্র দাস, দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পালন করা আশিস লাল সিং, কৃষ্ণধন নাথ, দেবব্রত দেব রায়, আব্দুল বাসিত খান, ত্রিদিব দত্ত, শম্পা দাস, কল্প মোহন ত্রিপুরা, মামন খান, নীলকান্ত সিনহা, শর্মিষ্ঠা দেব সরকার, রবি চৌধুরী, শিবানী সেনগুপ্ত, ইদ্রিস মিয়া, অঞ্জন চক্রবর্তী, অনিতা দাস এবং মলিন জামাটিয়াকে।

এর পাশাপাশি অন্যদিকে, বাপ্তু চক্রবর্তীকে যুব কমিটির রাজ্যের আহ্বায়ক করে ১১ জনের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে রাকেশ দাস, শান্তনু সাহা, জাকির হুসেন, উত্তম কালুই, মৃণাল কান্তি দেবনাথ, সুমন দে, চিরঞ্জিত পাল, সোলাঙ্কি সেনগুপ্ত, দীপান্বিতা চক্রবর্তী এবং অমিত দেববর্মাকে।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এই কমিটিতে যেমন রাজ্যের সব জাতির প্রতিনিধি রাখা হয়েছে, তেমনই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মহিলাদেরও। এই রাজ্যে সংগঠন শক্তিশালী করার জন্য বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুস্মিতা দেবকে।