সেনা প্রত্যাহারের পর এবার তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা!

সেনা প্রত্যাহারের পর এবার তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা!
সেনা প্রত্যাহারের পর এবার তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা! / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ আফগানিস্তান থেকে মার্কিন প্রশাসন সেনা সরিয়ে নিয়েছে, তাও অনেকদিন হয়েছে। এক সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, এবার তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে আমেরিকা।

চলতি বছরের আগস্ট মাসে আফগানিস্তান দখল করেছিল তালিবান। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছিল, কোন কোন দেশ আফগানিস্তানে তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে। এখনও পর্যন্ত কোনও দেশই আফগানিস্তানে তালিবানকে স্বীকৃতি দেয়নি। এই পরিস্থিতিতে তালিবান নেতৃত্বকে আলোচনায় আমন্ত্রণ জানাতে চলেছে রাশিয়া। ২০ অক্টোবর তালিবান নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হতে চলেছে বলেই জানিয়েছে রুশ প্রেসিডেন্টের বিশেষ প্রতিনিধি। সূত্রের খবর, শুধু রাশিয়াই নয়, এবার তালিবান শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলাদাভাবে আলোচনায় বসতে চলেছে মার্কিন প্রশাসনের প্রতিনিধিরাও। তাই স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা শুরু হয়েছে যে, তবে কি অবশেষে আফগানিস্তানে কিছুটা সুবিধার পরিবর্তে তালিবানদের স্বীকৃতি দিতে চলেছে আমেরিকা।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাজধানী দোহায় তালিবানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল আমেরিকার। চুক্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তান থেকে সেনা সরাতে সম্মত হয় ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেনা প্রত্যাহারও করে নেন। কিন্তু আফগানিস্তান দখল করলেও সে দেশে সরকার গড়তে এখনও অসুবিধায় তালিবান।

এদিকে, গত সেপ্টেম্বর মাসে নির্বাসনে সরকার গঠনের কথা ঘোষণা করেন আশরফ ঘানি সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লা সালেহ। তাঁর নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের ঘোষণা করে আফগানিস্তানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্র।

বিশ্লেষকদের মতে, আফগানিস্তানে ইসলামিক স্টেটের উত্থান থেকে গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা ভাবাচ্ছে আমেরিকাকে। একই সঙ্গে সেদেশে রাশিয়া ও চিনের প্রভাবও এয়াশিংটনের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। তাই সবমিলিয়ে, এবার তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় বসে কূটনৈতিক মঞ্চে সুবিধা করতে চাইছে আমেরিকা।