মন্ত্রীদের লালবাতির গাড়ি ব্যবহার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন এই বড় নির্দেশ!

মন্ত্রীদের লালবাতির গাড়ি ব্যবহার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন এই বড় নির্দেশ!
মন্ত্রীদের লালবাতির গাড়ি ব্যবহার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন এই বড় নির্দেশ!

মন্ত্রীদের লালবাতি গাড়ি ব্যবহার নিয়ে বড় নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার থেকে মন্ত্রীরা লালবাতি গাড়ি ব্যবহার করে যত্রতত্র ঘুরতে পারবেন না। মন্ত্রীদের গাড়ির লালবাতি আর যেখানে সেখানে ব্যবহার করা যাবে না। শনিবার দলের সাংগঠনিক বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি দলে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতিও চালু করা হল৷

এবছরের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভের পর আজই প্রথম সাংগঠনিক বৈঠকে বসেছিল রাজ্যের শাসক শিবির। আজ দুপুর দু’টো নাগাদ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হয়। তারপরই শুরু হয় সাংগঠনিক বৈঠক। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সমস্ত সাংসদ, বিধায়ক এবং জেলা সভাপতিরা। সেখানেই এমন নির্দেশ দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের তৃতীয় ইনিংস সম্পূর্ণ অন্যরকমভাবে সাজাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার থেকে তৃণমূলের প্রধান লক্ষ্য দলকে দুর্নীতিমুক্ত করা। তাই দল এবং প্রশাসনকে আলাদা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এদিন দলীয় নেতৃত্বদের কড়া বার্তাও দেওয়া হয়েছে। বিধায়করা যেন এই দুর্নীতি মুক্ত থাকেন একথাও জানিয়েছেন তিনি। এমনকি দলের নেতাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ইচ্ছে পোস্ট করা থেকেও সংযত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, এদিনের বৈঠকে ফেসবুক লাইভ করা নিয়ে মদন মিত্রকে একপ্রকার সাবধানও করা হয়েছে।

মন্ত্রীদের লালবাতির গাড়ি ব্যবহার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন এই বড় নির্দেশ!
মন্ত্রীদের লালবাতির গাড়ি ব্যবহার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলেন এই বড় নির্দেশ!

দলীয় মন্ত্রী এবং বিধায়করা যাতে পথে নেমে কাজ করেন, সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য দলের নেতাদের আরও জনমুখী করে তোলা। নতুন পদাধিকারীরা যাতে পুরনো নেতৃত্বদের সাহায্য পান সে দিকেও নজর রাখার কথা জানান মমতা। নতুন এবং পুরনো দুইয়ে মিলে যাতে উন্নততর তৃণমূল গড়ে তোলা যায়, সে বার্তাই আজ ছড়িয়ে দেওয়া হল বৈঠকে।

প্রসঙ্গত, এদিন দলের বিভিন্ন পদে তাৎপর্যপূর্ণ কিছু পরিবর্তনও করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল, তৃণমূলের যুব সভাপতি পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে আনা হল৷ রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে এলেন কুণাল ঘোষ। কাকলি ঘোষ দস্তিদার হলেন সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভাপতি। অন্যদিকে, তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী হলেন দোলা সেন। শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি হলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ক পূর্ণেন্দু বসুকে দলের খেতমজুর শাখার সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেওয়া হল রাজ্য তৃণমূলের সংস্কৃতি শাখার সভাপতির দায়িত্ব।