বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রাজ্যের এই জেলাগুলিতে! কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর?

বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রাজ্যের এই জেলাগুলিতে! কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর?
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রাজ্যের এই জেলাগুলিতে! কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর? / প্রতীকী ছবি

বংনিউজ ২৪x৭ ডিজিটাল ডেস্কঃ শুক্রবার থেকে রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। মাঝে মাঝে রোদের দেখাও মিলেছে। শুক্রবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। এদিকে শনিবার সকাল থেকেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। জানা গিয়েছে আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারী বৃষ্টি শুরু হবে পূর্ব বর্ধমান জেলায়।

এদিন মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা যেমন- দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে আজ ভারী বৃষ্টির কথা আগেই জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদেও ফের বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে, কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৫৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি।

অন্যদিকে, ডিভিসির জল ছাড়ার কারণে রাজ্যের একাধিক জায়গা প্লাবিত হয়েছে৷ প্রশাসন সূত্রে খবর, ১ লক্ষ্য ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এছাড়াও, মাইথন থেকে ৮০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আবার ডিভিসির সূত্রে জানানো হয়েছে, ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টির কারণেই ছাড়া হয়েছে জল। বৃষ্টি না হলে জল ছাড়ার পরিমাণ কমানো হতে পারে। গতকালই ডিভিসির জল ছাড়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতিকে ‘ম্যানমেড’ বলেও উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্টভাবেই বলেন, ‘যদি বৃষ্টির জন্য বন্যা হত, তাহলে বুঝতাম। নিঃসন্দেহে বেশি বৃষ্টি হচ্ছে, আমার সামলাচ্ছি। বন্যাটা কিন্তু হচ্ছে জল ছাড়ার জন্য। মেনম্যাড বন্যা।’ পাশাপাশি এই পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজ্যের সাধারণ মানুষকে ত্রাণ তহবিলে দান করার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।